প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
“কচুয়ায় ১ লক্ষ টাকা ধার নিয়ে ২১লক্ষ টাকা দাবী”শিরোনামে সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইন নিউজ পোর্টালে ও পত্রিকায় ২৫ অক্টোবর প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদে আমি ও আমার স্বামী আলাউদ্দিন লিটনকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে কচুয়ার বেরকোটা গ্রামের আবুল হোসেন ও তার ছেলে জাবের হোসেন।দীর্ঘদিন আবুল হোসেন ও তার ছেলে জাবের হোসেন আমার চেনা জানা।
মুলত :কচুয়া উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটা আমাদের একই গ্রামের পাশাপাশি বাড়ির আবুল হোসেন আমার নিকট থেকে তার ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য একটি ভেকু থাকা সত্বেও আমাকে ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে নেওয়ার কথা বলে আরেকটি মাটি কাটার ভেকু মেশিন ক্রয় করতে ২৩.৭. ২০২৩ সালে নগদ ২১ লক্ষ টাকা আবুল হোসেন নেয়। শর্ত অনুযায়ী ব্যবসায়ের লভ্যাংশ দেওয়ার কথা থাকলেও আবুল হোসেন আমাকে কোন টাকা প্রদান করেনি। ব্যবসায়ের লাভ না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে থাকে এবং আমাকে কোন প্রকার টাকা প্রদান করেনি। আমি বহুবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও সে কোন টাকা প্রদান করেনি।
তাগাদা দেওয়ার পর আবুল হোসেন ও তার ছেলে জাবের হোসেন গত ২৭.৯.২০২৫ সালে সোনালী ব্যাংক সাচার বাজার পিএলসি শাখার ২১ লক্ষ টাকার একটি লিখিত
চেক প্রদান করে। কিন্তু ব্যাংকে চেক জমা দেওয়ার পর সমপরিমান টাকা একাউন্টে না থাকায় চেক ডিজঅনার হয়। আমি নিরুপায় হয়ে গত,২২.১০ ২০২৫ সালে আবুল হোসেনকে আইনজীবীর মাধ্যমে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠাই। লিগ্যাল নোটিশটি আবুল হোসেন গ্রহণ করে কিন্তু টাকা প্রদানের বিষয়ে কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। নিরুপায় হয়ে ক্ষতিপুরন চেয়ে আমি গত২৭/১১/২৫ ইং সালে বিজ্ঞ বিচারক আমলী আদালত কচুয়া- চাঁদপুর এ মামলা দায়ের করি।মামলাটি দীর্ঘদিন চলার পর বর্তমানে এস/সি ৪৭২/২৬ চাঁদপুরের যুগ্ম আদালত সাব জজ – ২ আদালতে এ রায়ের পর্যায়ে রয়েছে।
বহুরূপী প্রতারক আবুল হোসেন ও তার ছেলে মো : জাবের হোসেন আমি আমার স্বামীর সুনাম ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমি ও আমার স্বামীকে আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে সংবাদদাতাদের ভুল তথ্য পরিবেশন করে সংবাদ সম্মেলন করে যা মিথ্যা ও বানোয়াট । আমি এ ধরনের মিথ্যা বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই।
কাজল রেখা
স্বামী : আলাউদ্দিন লিটন
গ্রাম :বেরকোটা,পাথৈর
কচুয়া, চাঁদপুর

Leave a Reply