1. ashraful.shanto@gmail.com : Ashraful Talukder : Ashraful Talukder
  2. newstalukder@gmail.com : Alamgir Talukder : Alamgir Talukder
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কচুয়ায় নবমুসলিম গৃহবধুকে স্বামীর অবর্তমানে ডিভোর্সে অভিযোগ অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে প্রত্যাহার কচুয়ায় দাখিলের টেস্ট পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন কচুয়ায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যু কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বৈদ্যুতিক বাতি বিতরণ কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক জাকির হোসেন কচুয়ার দারাশাহী তুলপাইয়ে ৩শত বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাক্ষী হযরত দারাশাহ (রহ.) মসজিদ ও মাজার কচুয়ার চৌমুহনী ডি এস আলিম মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের সংকট কচুয়ার দক্ষিন ডুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক কাজী জাকির হোসেন
শিরোনাম
কচুয়ায় নবমুসলিম গৃহবধুকে স্বামীর অবর্তমানে ডিভোর্সে অভিযোগ অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরকে প্রত্যাহার কচুয়ায় দাখিলের টেস্ট পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন কচুয়ায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর করুন মৃত্যু কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বৈদ্যুতিক বাতি বিতরণ কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক জাকির হোসেন কচুয়ার দারাশাহী তুলপাইয়ে ৩শত বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাক্ষী হযরত দারাশাহ (রহ.) মসজিদ ও মাজার কচুয়ার চৌমুহনী ডি এস আলিম মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের সংকট কচুয়ার দক্ষিন ডুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা কচুয়া উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক কাজী জাকির হোসেন

কচুয়ায় নবমুসলিম গৃহবধুকে স্বামীর অবর্তমানে ডিভোর্সে অভিযোগ

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

কচুয়ায় নবমুসলিম গৃহবধুকে স্বামীর অবর্তমানে ডিভোর্সে অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি :
কচুয়ায় এক হিন্দু যুবতী ইসলা ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ে করার প্রায় ১১ মাস পর স্বামীর অবর্তমানে ডিভোর্সের ঘটনা ঘটেছে। শ্বশুর বাড়ির পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মনপুরা উত্তর পূর্বপাড়া মিস্ত্রি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, একই উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের মনোরঞ্জন সরকারের যুবতী কন্যা নিজ ধর্ম ত্যাগ করে ভালোবাসার টানে প্রায় ১১ মাস পূর্বে মনপুরা গ্রামের সৌদি প্রবাসী আব্দুল্লাহর ছেলে রাব্বী হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা নব মুসলিম মরিয়মকে বিয়ে করে। নব মুসলিম মেয়ে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিয়ে করেন। জীবিকার টানে স্বামী রাব্বী প্রবাসে চলে গেলে নবমুসলিম মরিয়মের উপর পাষন্ড শাশুড়ি আমেনা বেগম ও খালু আব্দুর রশিদ মিলে ঠিকমত খাবার না দিয়ে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালায় এবং একপর্যায়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এক যুবদলের নেতার বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ভাবে ডিভোর্সের কথা বলে সাদা স্ট্যাম্পের স্বাক্ষর নেয় গ্রামের কিছু সালিশরা। স্ট্যাম্পের স্বাক্ষর নেওয়ার সময় একটি ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই ভিডিওটি বর্তমানে ফেসবুক ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হলে স্থানীয়দের মাঝে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ প্রকাশের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাব্বী বর্তমানে প্রবাসে রয়েছে। স্বামী জানেনা তার স্ত্রীকে ডিভোর্স করানো হয়েছে । তার অনুপস্থিতিতে মা আমেনা বেগম ও খালু আব্দুর রশিদ ওই যুবতীকে জোরপূর্বক ডিভোর্স এর কাগজে স্বাক্ষর নেন। ঘটনার পর মেয়ের পরিবার ছেলের পরিবারের ভয়ে গাঁ ঢাকা দিয়েছে এবং জোরপূর্বক ডিভোর্সের ঘটনায় স্থানীয় আলেম সমাজের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
নব মুসলিম যুবতী মরিয়ম আক্তার বলেন, আমার নিজের ধর্ম ত্যাগ করে রাব্বীকে ভালোবেসে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে বিবাহ করি। বিয়ের পরে রাব্বী পরিবার আমাদেরকে মেনে নেন। পরবর্তীতে ৪ মাস আগে রাব্বী প্রবাসে চলে গেলে আমার শাশুড়ি আমেনা বেগম ও চাচা শ্বশুর আমার উপর অমানবিক নির্যাতন ও অত্যাচার শুরু করেন।
এক পর্যায়ে আমার বাবা-মাকে হুমকি দেন, আমাকে নাকি রাস্তায় ফেলে দেয়া হবে। আমাকে বাধ্য করান আমার স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য। আমি আমার স্বামীর ঘর করতে চেয়েছিলাম। আমার স্বামীর ঘর করা আর আমার ভাগ্য জোটলো না আমার শাশুড়ি ও খালা শ্বশুরের কারনে। আমি এখন কোথায় যাবো, কার কাছে থাকবো। আমাকে ২ লক্ষ টাকা কাবিনের বাবদ খরচ দিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে এক পর্যায়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে স্বাক্ষর নিতে বাধ্য করেন গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম, রশিদ, মিজানসহ কিছু সালিশগণ।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম মাষ্টারের মুঠোফোন বারবার চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জানতে, রাব্বীর বাড়িতে গেলে তার মা আমেনা বেগম সাংবাদিক পরিচয় শুনে দরজা বন্ধ করে ঘরে বসে থাকেন।
তবে অভিযুক্ত আল-আমিন জানান, আমার ভাতিজা রাব্বীকে আমি কোলে-পিঠে মানুষ করেছি। হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করায় আমি তা মেনে নিতে পারিনি। এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ওসি মো: আজিজুল ইসলাম জানান, হিন্দু যুবতীতে বিয়ের পর ডিভোর্স দেয়ার ব্যাপারে জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার