শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হলেন কচুয়ার অধ্যক্ষ মো:আবুল কালাম আজাদ
নিজস্ব সংবাদদাতা :
বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্য থেকে বাছাই করে সেরা ১০০ জন শিক্ষকের তালিকা করা হয়েছে। ওই তালিকায় শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কচুয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) প্রকৌশলী মোঃ জয়নাল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কারিগরি শিক্ষা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্বশীলতা, পাঠদানে আন্তরিকতা এবং শিক্ষা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মোঃ আবুল কালাম আজাদকে এ সম্মাননার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
মোঃ আবুল কালাম আজাদ কচুয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সূচনালগ্ন থেকে অর্থাৎ ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ সাল থেকে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ১৯ এপ্রিল ২০০৪ সালে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে ২০২৪ সালে তিনি বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। এছাড়া ২০২৬ সালে জাতীয় পর্যায়েও অংশগ্রহণ করেন তিনি।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, শিক্ষকতা পেশায় এ অর্জন তাঁর জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। জীবনের বাকি সময়ও মেধা, প্রজ্ঞা ও আন্তরিকতার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা অর্জনে কাজ করে যেতে চান তিনি।
তিনি আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দেশের ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন এমপির আগ্রহ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকারের সময়ে কারিগরি শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।
সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্য থেকে ১০০ জনকে বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের মধ্যে কচুয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম আজাদ শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় কচুয়া উপজেলার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তাঁর এ অর্জন কচুয়ার কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আরও উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ভালো ফলাফল অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
Leave a Reply