কচুয়ার বিতারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় কামরুজ্জামান মজুমদার জামান
সাইফুল ইসলাম রনি :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন স্পেন প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. কামরুজ্জামান মজুমদার জামান। তিনি বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা মজুমদার বাড়ির কৃতি সন্তান। বর্তমানে তিনি প্রবাসী কচুয়া জাতীয়তাবাদী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং কচুয়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।
সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন বলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা, দুর্গাপুর, শিলাস্থান, টেলি, নিন্দপুর, শাসনপাড়া, বুধুন্ডা, চাংপুর, খলাগাঁও, তেগুরিয়া, বাইছাড়া, যুগিচাপর, সৈয়দপুর, বাতাপুকুরিয়া, অভয়পাড়া, বিতারাসহ ইউনিয়নের ২৯টি গ্রামে সরেজমিনে ঘুরে এসব তথ্য জানা যায়।
সরেজমিনে জানা যায়, বিতারা ইউনিয়নের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন স্পেন প্রবাসী কামরুজ্জামান মজুমদার জামান। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অর্থায়নে ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে অসহায়, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এ কার্যক্রম নিয়ে ইতিবাচক সাড়া রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
এছাড়া বিতারা ইউনিয়নের মানুষের জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করেছেন কামরুজ্জামান মজুমদার জামান। জরুরি সময়ে দ্রুত রোগী হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় এ সেবাটিও স্থানীয় মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা।
স্থানীয়দের কেউ কেউ বলেন, নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে।
সম্প্রতি সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের সঙ্গে কামরুজ্জামান মজুমদার জামানের সাক্ষাৎ হয়। ওই সাক্ষাতের পর চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তিনি সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে কামরুজ্জামান মজুমদার জামান জানিয়েছেন।
কামরুজ্জামান মজুমদার জামান বলেন, “প্রবাসে থেকেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের আর্থিক সহযোগিতা ও চিকিৎসাসেবা প্রদানের মাধ্যমে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকারের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। জনগণের ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত করতে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ও প্রবাসী নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। দলের দুর্দিনে প্রবাসে থেকে বহু নেতাকর্মী ও সমর্থকের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মাঠপর্যায়ের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক ও মানবিক কাজ করেছি।”
তিনি বলেন, “পদ-পদবি আল্লাহর দান। দলীয় নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণ এবং সর্বোপরি আমার নেতা ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ভাই চাইলে বৃহৎ পরিসরে জনগণের সেবা করার সুযোগ পাবো।”
কামরুজ্জামান মজুমদার জামান আরও বলেন, “দুঃসময়ে দলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে বহু মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলাম। তাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণ আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাইলে আমি তাদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চাই। আমি সকলের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছি।”
Leave a Reply