1. ashraful.shanto@gmail.com : Ashraful Talukder : Ashraful Talukder
  2. newstalukder@gmail.com : Alamgir Talukder : Alamgir Talukder
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দিনের বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি দুদিনের সফরে কচুয়া আসছেন কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ফারুক আহমেদ প্রধানের শারদীয় দুর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন। কচুয়ার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল মাওলা হেলালের পক্ষে ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী শোডাউন। কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এম,আখতার হোসেনের বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের দারচর সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে উৎসবমূখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গ পূজার মহাঅষ্টামী সম্পন্ন কচুয়া থানা গেইটে শীগ্রই ব্রাদার্স মিনি চাইনিজের শুভ উদ্বোধন নিখোঁজ সংবাদ : কচুয়ার মাঝিগাছা গ্রামের ১২ বছরের ইসরাফিল ঢাকার বাসা থেকে নিখোঁজ কচুয়া পৌরসভার ধামলুয়ায় দু যুবককে মারধর ও হত্যার চেষ্টার অভিযোগ ॥ দোষীদের শাস্তির দাবী কচুয়ার পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটায় ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক
শিরোনাম
কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দিনের বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি দুদিনের সফরে কচুয়া আসছেন কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ ফারুক আহমেদ প্রধানের শারদীয় দুর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন। কচুয়ার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল মাওলা হেলালের পক্ষে ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী শোডাউন। কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এম,আখতার হোসেনের বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের দারচর সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে উৎসবমূখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গ পূজার মহাঅষ্টামী সম্পন্ন কচুয়া থানা গেইটে শীগ্রই ব্রাদার্স মিনি চাইনিজের শুভ উদ্বোধন নিখোঁজ সংবাদ : কচুয়ার মাঝিগাছা গ্রামের ১২ বছরের ইসরাফিল ঢাকার বাসা থেকে নিখোঁজ কচুয়া পৌরসভার ধামলুয়ায় দু যুবককে মারধর ও হত্যার চেষ্টার অভিযোগ ॥ দোষীদের শাস্তির দাবী কচুয়ার পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটায় ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে উঠান বৈঠক

তিস্তায় হঠাৎ পানি

  • আপডেট : বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৪
  • ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে

tista_barez-311x186পানিশূণ্য হয়ে পরা তিস্তা নদীতে হঠাৎ পানিপ্রবাহ বেড়েছে। ফলে পানির অভাবে অকার্যকর হতে বসা দেশের বৃহৎ তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্প সচল হয়ে উঠেছে। অপ্রত্যাশিতভাবে পানি পেয়ে সেচ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রকল্প এলাকার কৃষকেরা। দীর্ঘদিন পর পানি পেয়ে উৎফুল্ল এলাকার কৃষক।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ি মঙ্গলবার ব্যারেজ পয়েন্টে পৌঁছেছে তিন হাজার ছয় কিউসেক পানি। প্রত্যাশা অনুযায়ি পানি পাওয়ায় দুপুরে নীলফামারীর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দিনাজপুর সেচখালের সুবিধাভোগী কৃষকদের খেতখামারে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা গেছে। তবে তিস্তার এই পানি প্রবাহ সবসময় চান।

নীলফামারি জেলা সদরের বিশমুড়ি গ্রামের কৃষক রইসুল আলম বলেন, “হামরালা আইজ খুব খুশি। রাইতোতো ভাবো নাই সাকালে উঠি এত পানি পামো। সাত দিন আগত অল্প  পানি পাইছিনো। পানি কম দেখি সেলা শ্যালো দিয়া সেচ দিছি। আইজ পানির অভাব নাই। এই রকম পানি পাইলে হামার আবাদ করিবার কোনো অসুবিধা হইবে না। পানি পাইলেই হামরা খুশি।”

একই গ্রামের আরেক কৃষক আফজাল আহমেদ বলেন, “হামার গ্রামের অনেক জমির ধান পানির অভাবে নষ্ট হয়া গেইছে, এলা পানি দিছে। এইরকম পানি পাইলে আর অসুবিধা হইবে না।”

সদরের ইটাখোলা গ্রামের আবু বক্কর জানালেন, গত ২০ দিনের ব্যবধানে তাঁর দুই বিঘা জমির পাটবীজ দুবার নষ্ট হয়ে গেছে। দুই বিঘা জমির বোরো ধানগাছ পানির অভাবে নষ্ট হয়েছে।

এলাকাবাসী কৃষক ও সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০১৪ সালে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তার পানি নেমে আসে প্রায় শূন্যের কোঠায়। পানির অভাবে অনেক আবাদি জমি নষ্ট হয়। তিস্তায় দেখা দেয় স্মরণকালের ভয়াবহ পানিশূন্যতা।

পানির অভাবে তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্পের আওতায় থাকা প্রধান সেচখাল হয়ে দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া খাল প্রায় শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। কুষিকাজ ব্যাপকভাবে ব্যহত হয়ে যায়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে তিস্তার পানি কমতে কমতে মাত্র ৫০০ থেকে ৫৫০ কিউসেকে দাঁড়ায়। অথচ এ সময় এ নদীতে স্বাভাবিকভাবে গড়ে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার কিউসেক পানি থাকা প্রয়োজন। গত রোববার ৬৮৮ কিউসেক এবং গতকাল সোমবার পানিপ্রবাহ ছিল ৮৩০ কিউসেক। আজ তিন হাজার ছয় কিউসেক যা সত্যি আমাদের জন্য ভালো।

পানি উন্নয়ন বোর্ড এ প্রকল্পের আওতায় ৬০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে সেচ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করে ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে পালাক্রমে সেচ প্রদান করে। এটি লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম। এতে ওই প্রকল্প এলাকার তিন জেলার ১২ উপজেলার বোরো চাষিরা বিপাকে পড়েন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “হয়তো ভারতের গজলডোবা ব্যারেজের গেট খুলে দেওয়ায় পানি বেড়েছে। যাই হোক পানির এই প্রবাহ কৃষকের জন্য আনন্দের।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার