কচুয়ায় খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্বনালংকার চুরি, সোনা উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব সংবাদদাতা : কচুয়ায় বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে বাসায় প্রবেশ করে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে চুরির ঘটনায় জড়িত চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ সময় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর তাঁতীবাজার থেকে ৩ ভরি ১ আনা ৪ রতি চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাকৃতরা হলো -কুমিল্লার হোমনা উপজেলার নিকলি ইউনিয়নের মৃত আকবর আলীর ছেলে মো. ইব্রাহিম (৫০) এবং মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মহর মিয়ার ছেলে মো. বিল্লাল হোসেন (৪০)।
থানা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুন কচুয়া পৌরসভার ওয়ালটন প্লাজার পাশের একটি ভবনের বাসিন্দা মোহাম্মাদ নুরুল ইসলামের (৪৮) বাসায় ভাড়া নেওয়ার কথা বলে ৪/৫ জনের একটি চক্র বাসায় প্রবেশ করে। একপর্যায়ে গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলার সময় কৌশলে খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেওয়া হয়। খাবার খেয়ে তারা অচেতন হয়ে পড়লে চক্রটি ঘরের আলমারি থেকে ৬ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার ও ড্রয়ারে থাকা ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
চুরি হওয়া স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কচুয়া থানায় মামলা করেন। মামলার পর চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ রাশেদুল হক, তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুবেল সরকার ও এসআই রুহুল আমিনের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়।
পুলিশ জানায়, আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ও ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে প্রথমে ঢাকার ডেমরা এলাকা থেকে ইব্রাহিমকে এবং পরে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিল্লাল হোসেন নামে অন্যজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার কোতোয়ালি থানার তাঁতীবাজার এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে চুরি যাওয়া ৩ ভরি ১ আনা ৪ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Leave a Reply