কচুয়ার সাচার বাজারে জোরপূর্বক পাকা দালান নির্মাণের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি কচুয়ার সাচার বাজারে অবৈধভাবে জোরপূর্বক পাকা দালান নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাচার বাজারের জলিলের স্ত্রী সুফিয়া বেগম জানান সাচার মৌজার বিএস ১২৫২ দাগে মধ্য বাজারে ১ শতক জায়গা আমার স্বামী জলিল সওদাগরের।
তিনি এ জায়গা জেলা প্রশাসকের নিকট থেকে লীজ নিয়ে বহু বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছেন। তার মৃত্যুর পর তার ভাই খলিল সওদাগরের স্ত্রী এ জায়গা ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে পাশের ব্যবসায়ী শফিউল্লাহ গংদের নিকট বিক্রি করে দেয়।
জলিল সওদাগরের অবর্তমানে তার স্ত্রী সুফিয়া বেগম তার দখলীয় জায়গায় অনধিকার প্রবেশ ও আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঠেকাতে চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ওই জায়গায় স্থিতাবস্থা দায়ের করে করেন। এদিকে বৃহস্পতিবার সরোজমিনে গেলে দেখা যায় ওই জায়গার পাশের দোকানদার শফিউল্লাহগং ওই জায়গায় পাকা দালান নির্মাণ করছে। শফিউল্লা জানান সে ওই জায়গা খলিলের স্ত্রী সেলিনা বেগমের নিকট থেকে ক্রয় করেছে। ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায় ওই জায়গা সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত জায়গা লীজ হিসেবে ছিল।
৩/৯/২০১৪ সালে লিজ বাতিল হয়। বর্তমানে ওই জায়গা সুফিয়া বেগমের দায়ের করা মামলায় আদালতের স্থিতাবস্থা রয়েছে।
সাচার ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা একরামুল হক ভূইয়া জানান এ জায়গায় আদালতের স্থিতাবস্থা রয়েছে। বিষয়টির ব্যাপারে আদালতের কোন নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত কোন স্থাপনা করা যাবে না।পাকা ভবন নির্মান না করতে শফিউল্লাহগংদের বারণ করা হয়েছে।
বিবাদমান জায়গার দুই পাশের দোকানদার ইব্রাহিম, খলিল ও লিটন জানান জলিলের স্ত্রী সুফিয়া বেগম ওই জায়গা ভোগ দখল করে ভাড়া দিয়ে ভোগদখল করে আসছিলো। কিন্তু এখন নতুন করে পাশের দোকানের মালিক শফিউল্লাহ গং কিভাবে পাকা দালান নির্মাণ করছে তা আমাদের জানা নেই। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার সঠিক তদারকি থাকলে ওই জায়গায় পাকা দলা নির্মাণ করার কাজ চলতে পারেনা। সফিউল্লাহ জানান আমাদের জায়গার সকল তথ্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আছে, যা ইউনিয়ন ভূমিক কর্মকর্তা অবগত রয়েছেন।
এদিকে বিবাদমান জায়গায় শফিউল্লাহর পাকা দালান নির্মাণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান।
Leave a Reply