শিক্ষকবান্ধব রাষ্ট্র গড়াই আমাদের অঙ্গীকার :শিক্ষামন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলন
কচুয়া বার্তা রিপোর্ট :
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার ও কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষকবান্ধব রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে বর্তমান সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষকরা সমাজের দর্পণ। তাঁরাই আগামী প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখান এবং উন্নত জাতি গঠনের ভিত্তি নির্মাণ করেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০০২ সালের আইনের মাধ্যমে অবসর সুবিধা বোর্ড গঠন করা হয়। এর আগে প্রতিষ্ঠিত কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রমের পাশাপাশি এই উদ্যোগ শিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা শিক্ষকদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ভাতা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষককে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ভাতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
এর মধ্যে সারা দেশে ৭০ হাজার ১৯ জন শিক্ষককে অবসর ভাতা এবং ৫৩ হাজার শিক্ষককে কল্যাণ ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর এই অর্থ শিক্ষকদের হাতে পৌঁছালে তাঁদের আর্থিক দুশ্চিন্তা ও দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একজন শিক্ষকের মুখে স্বস্তির হাসিই এই উদ্যোগের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আজকের দিনটি শুধু অর্থ প্রদানের দিন নয়; বরং শিক্ষকদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব, সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।
শিক্ষকরা শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন না, তাঁরা একটি প্রজন্মের স্বপ্ন গড়ে দেন, মূল্যবোধ শেখান এবং ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাই শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ভবিষ্যতেও শিক্ষকদের কল্যাণে আরও কার্যকর ও শিক্ষকবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
Leave a Reply