কচুয়ায় হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণ।কচুয়ার গোহট উত্তর ইউনিয়নের বড়তুলাগাঁও গ্রামে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা (স্টে অর্ডার) অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ওই গ্রামের চেনের বাড়ির মৃত সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী খোদেজা বেগম জানান, আমাদের একই বাড়ির পাশের ঘরের আবু জাফর বাচ্চু ও আবু বকর দুলাল রবিবার রাতের অন্ধকারে আমাদের অনুপস্থিতিতে দলবল নিয়ে আমার দখলীয় জায়গার ঘর ও বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে আম,কাঠাল, লিচু পেঁপে মাল্টা, পেয়ারা ইত্যাদি ফলজ গাছ কেটে ফেলে এবং নতুন করে টিনের চাল দিয়ে ঘর নির্মান করে।আমি আমার মেয়েকে নিয়ে ৫০ বছর এ জায়গায় বসত ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। বাড়ির ৯৫ নং হালে ১৪৮ নং বড় তুলাগাঁও মৌজার সিএস ৩৩ আরএস ৫০ ও ১৪০ নং খতিয়ানভূক্ত ৩৫৫ হালে ৬৭০ দাগে ৬.৫ শতকের অন্দরে দক্ষিণ অংশে এক শতক ও সাবেক ৩৫৯ হালে ৬৭১ দাগের ১৮ শতকের অন্দরে দক্ষিণ অংশে ১ শতক সহ মোট দুই শত জায়গা নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে মোকাদ্দমা চলে আসছে।
ভুক্তভোগী খোদেজা আরো জানান, চলতি বছরের ৭ জুন মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিজ্ঞ বিচারক খায়রুল আলম ও একেএম রবিউল হাসান ওই জায়গায় একবছরের জন্য স্থিতি অবস্থা( স্টে অর্ডার) আদেশ প্রদান করেন। বিবাদীগন আইন অমান্য করে গায়ের জোরে মহামান্য হাই কোর্টের স্থিতি অবস্থার আদেশ অগ্রাহ্য করে দলবল নিয়ে আমার ঘর ভাঙচুর করে নতুন ঘর নির্মাণ করে।
আইন অমান্য করে বিবাদী আবু বক্কর দুলাল ও আবু জাফর বাচ্চু আমার ফলজ আম, কাঁঠাল, পেঁপে গাছ কেটে ফেলে এবং ঘর ভেঙ্গে ওই জায়গায় নতুন ঘর নির্মাণ করে। তারা আমার বহু বছরের পুরানো সীমানা প্রাচীরও ভেঙ্গে ফেলে। আমি প্রশাসনের কাছে আইন অমান্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই। চেনের বাড়ির বাসিন্দা প্রবীন ব্যক্তি শাহজাহান বলেন কোর্টের আদেশ সামান্য করে রাতের অন্ধকারে ঘর ও দেওয়াল ভাঙচুর, গাছ কেটে ফেলা ও নতুন ঘর নির্মাণ খুবই দুঃখজনক।এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত । বিবাদী আবু বকর দুলাল ও আবু জাফর বাচ্চু ভাংচুর ও নতুন করে ঘর নির্মানের সত্যতা স্বীকার করে বলেন উচ্চ আদালতের রায়ের ব্যাপারে আমাদের জানা নেই।
Leave a Reply