কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী মোহাম্মদ বশির মজুমদার
মোহাম্মদ বশির মজুমদার জানান, তিনি কচুয়া উত্তর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য, দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের কচুয়া প্রতিনিধি এবং দৈনিক চাঁদপুর জমিনের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি হযরত শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, দোল্লাই নবাবপুর কলেজ থেকে এইচএসসি এবং মেহের ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন বলে জানান তিনি।
সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বশির মজুমদার তেতৈয়া ক্বারিয়ানা মাদ্রাসা ও এতিমখানার কার্যকরী কমিটির সদস্য, তেতৈয়া মজুমদার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানের সভাপতি এবং তেতৈয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন বলে জানান।
পেশাগত জীবনেও তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি দীর্ঘদিন একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ‘মজুমদার কৃষি ঘর’-এর স্বত্বাধিকারী এবং বাংলাদেশ সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির পরিবেশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে মোহাম্মদ বশির মজুমদার বলেন, “স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে সাধারণ মানুষের সেবা করার পরিধি আরও বাড়বে। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে আমি সাধারণ ও মেহনতি মানুষের পাশে থেকে তাদের প্রয়োজন ও সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “জনপ্রতিনিধি হিসেবে যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকবে, তখন সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের অংশীদার হিসেবে এলাকার উন্নয়নে কাজ করব। আমার কাছে দল-মত ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে জনগণের স্বার্থই প্রধান।”
নারীদের কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্বী করার বিষয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বশির মজুমদার বলেন, “জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে ক্ষুদ্র শিল্প ও বিভিন্ন আয়বর্ধক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করে পরিবারের পাশাপাশি সমাজ ও দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং সালিশের নামে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করার জন্য কাজ করবেন। এলাকার সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেবেন বলেও জানান তিনি।
বশির মজুমদার বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে জনগণকে সেবা পাওয়ার জন্য আমার কাছে আসতে হবে না; বরং আমি জনগণের সেবক হিসেবে তাদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রয়োজন ও সমস্যার কথা শুনতে চাই। সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা যদি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে আমি নির্বাচিত হয়ে সাধারণ মেহনতি মানুষের পাশে থাকব এবং তারা যাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সেবা পেতে পারে, সে বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করব—ইনশাআল্লাহ।”
পরিশেষে তিনি কচুয়া উত্তর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তেতৈয়া ও খিড্ডা গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক মঙ্গল, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
ছবি : বশির মজুমদার
Leave a Reply