কচুয়ার রহিমানগর ইউসুফ সফর আলী দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের সংকট
নিজস্ব সংবাদদাতা :
কচুয়া উপজেলার রহিমানগর ইউসুফ সফর আলী দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত । বর্তমানে মাদ্রাসার ইফতেদায়ী থেকে দাখিল পর্যন্ত ৫৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের দুইটি একতলা একাডেমিক ভবন রয়েছে।একটি ভবনের ছাদে অস্থায়ী টিনশেড নির্মাণ করে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রম করা হয়। অন্য আরেকটি ভবনে জেলা পরিষদ থেকে ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার পর দ্বিতীয় তলার কাজ ঠিকাদার নির্ধারিত সময় সম্পন্ন করতে পারেনি।
একাডেমিক ভবন সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিগ্ন সৃষ্টি হচ্ছে বলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ জানান।
সরজমিনে গেলে দেখা যায় একতলা ভবনের উপরে টিনশেড একটি কক্ষ নির্মাণ করে একটি শ্রেণীর পাঠদান করা হয়। গরম ও বৃষ্টির সময় খোলামেলা এই কক্ষটিতে পাঠদানে শিক্ষার্থীদের অসুবিধায় পড়তে হয়। তাছাড়া একটি ভবনের নিচতলায় অফিস কক্ষ ও আইসিটি কক্ষ রয়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের মাদ্রাসায় শ্রেণীকক্ষের সংকট রয়েছে, মেয়েদের শৌচাগার নেই। গরমে দোতলার উপর নির্মিত টিনশেড ঘরে ক্লাশ করতে অসুবিধা হয়।
প্রতিষ্ঠানের সুপারিনটেনডেন্ট জিয়াউর রহমান জানান, আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দাখিলে বিগত বছরগুলোতে সন্তোষজনক ফলাফল করেছে।
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে অতিরিক্ত ক্লাস নেয়া হয়। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম রয়েছে।
একটি চারতলা ভবন বরাদ্দ দিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও ছাত্রাবাসের সমস্যা লাগব হবে।
অভিভাবক আব্দুল আলিম জানান দ্বীনি এই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার মান খুবই ভালো। তবে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য আরেকটি একাডেমিক ভবন হলে পাঠদানের সংকট দূর হবে ।
শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন একাডেমিক ভবন বরাদ্দের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আ ন ম এহাছানুল হক মিলনের দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

ছবি :কচুয়ার রহিমানগর ইউসুফ সফর আলী দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের একাংশ।
Leave a Reply