1. ashraful.shanto@gmail.com : Ashraful Talukder : Ashraful Talukder
  2. newstalukder@gmail.com : Alamgir Talukder : Alamgir Talukder
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১২:২৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কচুয়ায় চলাচলের রাস্তায় বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ কচুয়ায় জামায়াতে ইসলামী’র ইফতার মাহফিল কচুয়াকে আধুনিক শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে : ড. আনম এহসানুল হক মিলন কচুয়ায় বিএনপি’র ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ কচুয়ায় এইচএসসিতে ফলাফল বিপর্যয়⥮ড.মনসুরউদ্দীন মহিলা কলেজ সবার শীর্ষে কচুয়ায় ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তিগত বিরোধ ১জন টেডা বিদ্ধসহ আহত ৪ হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কচুয়ায় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ কচুয়ায় শ্রমিক দলের কর্মী সম্মেলন কুমিল্লা মর্ডান হাসপাতালের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত শরীফ হাসান তৃতীয়বারের মতো আইসিএসবি’র কাউন্সিলর নির্বাচিত
শিরোনাম
কচুয়ায় চলাচলের রাস্তায় বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতার অভিযোগ কচুয়ায় জামায়াতে ইসলামী’র ইফতার মাহফিল কচুয়াকে আধুনিক শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে : ড. আনম এহসানুল হক মিলন কচুয়ায় বিএনপি’র ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ কচুয়ায় এইচএসসিতে ফলাফল বিপর্যয়⥮ড.মনসুরউদ্দীন মহিলা কলেজ সবার শীর্ষে কচুয়ায় ভাইয়ে ভাইয়ে সম্পত্তিগত বিরোধ ১জন টেডা বিদ্ধসহ আহত ৪ হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কচুয়ায় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ কচুয়ায় শ্রমিক দলের কর্মী সম্মেলন কুমিল্লা মর্ডান হাসপাতালের উদ্যোগে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত শরীফ হাসান তৃতীয়বারের মতো আইসিএসবি’র কাউন্সিলর নির্বাচিত

সিটি নির্বাচনে বিএনপির সাংগঠনিক দৈন্যদশা ফুটে উঠেছে

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৫
  • ১৭৭৬ বার পড়া হয়েছে

কচুয়া বার্তাডটকম : সিটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা ও দৈন্যদশার চিত্র আবারো ফুটে উঠেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গত ২৭ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে অবস্থান, ভোট কেন্দ্রে পাহারা বসানো ও ভোটের ফলাফল বুঝে নিয়ে কেন্দ্র ছাড়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু তার এই নির্দেশ উপেক্ষিত হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশ দলের নেতাকর্মীরা মানেনি। ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রগুলো বিএনপির নেতাকর্মী শূন্য ছিল। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের ভোট কেন্দ্রের আশপাশেও দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে ভোট কেন্দ্রগুলোতে এককভাবে প্রভাব বিস্তার করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা বলেন, সিটি নির্বাচনে দলের নেতাকর্মীদের জন্য একটা আতঙ্কজনক পরিস্থিতি ছিল এটা সত্য। কিন্তু এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় দলের সাংগঠনিক দৈন্যের পাশাপাশি দলের প্রতি নেতাকর্মীদের উদাসীনতা আরেক দফা প্রমাণিত হয়েছে। আর একারণে নির্বাচনের দিন বেশির ভাগ কেন্দ্রে বিএনপি এজেন্ট রাখতে পারেনি। নেতাকর্মীরাও নির্বাচনী মাঠে ছিলেন না।

দলের সূত্র জানায়, নির্বাচনে এতোবড় অনিয়মের পরও সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বিএনপির এর প্রতিবাদে কোনো কর্মসূচি পর্যন্ত দিতে র্ব্যথ হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে রাজধানীতে বিএনপির নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে দলে ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের। তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দলের হাইকমান্ড মহানগর বিএনপির কমিটির ভেঙ্গে নতুন কমিটি করেন। নগর বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ও আব্দুস সালামকে সরিয়ে দিয়ে মির্জা আব্বাস ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি দায়িত্ব পাওয়ার পর সাংগঠনিক অবস্থা আরো নাজুক অবস্থার মধ্যে পড়ে। এই অবস্থার মধ্যে গত ৫ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করেন। কিন্তু মহানগর নেতাদের নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণে আবারো আন্দোলনের সাফল্য পেতে র্ব্যথ হয়।

দলের সূত্র জানায়, মহানগর বিএনপির পাশাপশি দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও আরো বেশি নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষকদল শ্রমিক দল ও ছাত্রদলের কর্মকা- একেবারেই ঝিমিয়ে পড়েছে। আর এই সংগঠনগুলো যে সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে তা দেখা গেছে সিটি নিবার্চনে এসব সংগঠনগুলোর কর্মকা-ে নিস্ক্রিতা থেকে।

ভোটকেন্দ্রে দল সমর্থিত প্রার্থীদের এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের অনুপস্থিতি নিয়ে বিএনপির ভেতরেই এখন আত্মসমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপির নেতৃত্বের প্রকট রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ব্যর্থতাও প্রকাশ পেয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান দলের সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়ে বলেন, আমি মনে করি এটা একটা সহজ সমীকরণ। অনেকেই এটা বলতে চাচ্ছেন যে সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা। তবে এটা ঠিক না। আমি মনে করি এখানে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অনেক কর্মতৎপরতা ছিল। প্রশাসনের ন্যাক্কারজনক ভূমিকা রয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা কেউ মাঠে দাড়াতে পারছেন না। এই অবস্থায় বিএনপি সাংগঠনিক ভাবে অনেক শক্ত বা অনেক সবল এটা আমি বলবো না। যদি সাংগঠনিক কোনো দুর্বলতা থেকে থাকে, তাহলে আমরা সামনের দিনে অবশ্যই কাটিয়ে উঠতে পারবো এবং দলকে আরো সুসংগঠিত করে গড়ে তুলতে পারবো। সিটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা ও দৈন্যদশার চিত্র আবারো ফুটে উঠেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গত ২৭ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে অবস্থান, ভোট কেন্দ্রে পাহারা বসানো ও ভোটের ফলাফল বুঝে নিয়ে কেন্দ্র ছাড়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু তার এই নির্দেশ উপেক্ষিত হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশ দলের নেতাকর্মীরা মানেনি। ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রগুলো বিএনপির নেতাকর্মী শূন্য ছিল। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও বিএনপির নেতাকর্মীদের ভোট কেন্দ্রের আশপাশেও দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে ভোট কেন্দ্রগুলোতে এককভাবে প্রভাব বিস্তার করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা বলেন, সিটি নির্বাচনে দলের নেতাকর্মীদের জন্য একটা আতঙ্কজনক পরিস্থিতি ছিল এটা সত্য। কিন্তু এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকায় দলের সাংগঠনিক দৈন্যের পাশাপাশি দলের প্রতি নেতাকর্মীদের উদাসীনতা আরেক দফা প্রমাণিত হয়েছে। আর একারণে নির্বাচনের দিন বেশির ভাগ কেন্দ্রে বিএনপি এজেন্ট রাখতে পারেনি। নেতাকর্মীরাও নির্বাচনী মাঠে ছিলেন না।

দলের সূত্র জানায়, নির্বাচনে এতোবড় অনিয়মের পরও সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বিএনপির এর প্রতিবাদে কোনো কর্মসূচি পর্যন্ত দিতে র্ব্যথ হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে রাজধানীতে বিএনপির নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে দলে ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের। তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দলের হাইকমান্ড মহানগর বিএনপির কমিটির ভেঙ্গে নতুন কমিটি করেন। নগর বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ও আব্দুস সালামকে সরিয়ে দিয়ে মির্জা আব্বাস ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি দায়িত্ব পাওয়ার পর সাংগঠনিক অবস্থা আরো নাজুক অবস্থার মধ্যে পড়ে। এই অবস্থার মধ্যে গত ৫ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা করেন। কিন্তু মহানগর নেতাদের নেতৃত্বের দুর্বলতার কারণে আবারো আন্দোলনের সাফল্য পেতে র্ব্যথ হয়।

 

 

 

 

 

 

 

bnp
দলের সূত্র জানায়, মহানগর বিএনপির পাশাপশি দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও আরো বেশি নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষকদল শ্রমিক দল ও ছাত্রদলের কর্মকা- একেবারেই ঝিমিয়ে পড়েছে। আর এই সংগঠনগুলো যে সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল হয়ে পড়েছে তা দেখা গেছে সিটি নিবার্চনে এসব সংগঠনগুলোর কর্মকা-ে নিস্ক্রিতা থেকে।

ভোটকেন্দ্রে দল সমর্থিত প্রার্থীদের এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের অনুপস্থিতি নিয়ে বিএনপির ভেতরেই এখন আত্মসমালোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপির নেতৃত্বের প্রকট রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক ব্যর্থতাও প্রকাশ পেয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান দলের সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়ে বলেন, আমি মনে করি এটা একটা সহজ সমীকরণ। অনেকেই এটা বলতে চাচ্ছেন যে সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা। তবে এটা ঠিক না। আমি মনে করি এখানে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অনেক কর্মতৎপরতা ছিল। প্রশাসনের ন্যাক্কারজনক ভূমিকা রয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা কেউ মাঠে দাড়াতে পারছেন না। এই অবস্থায় বিএনপি সাংগঠনিক ভাবে অনেক শক্ত বা অনেক সবল এটা আমি বলবো না। যদি সাংগঠনিক কোনো দুর্বলতা থেকে থাকে, তাহলে আমরা সামনের দিনে অবশ্যই কাটিয়ে উঠতে পারবো এবং দলকে আরো সুসংগঠিত করে গড়ে তুলতে পারবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার