কচুয়ার চৌমুহনী ডি এস আলিম মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের সংকট
নিজস্ব সংবাদদাতা :
কচুয়া উপজেলার চৌমুহনী ডিএস আলিম মাদ্রাসাটি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত । বর্তমানে মাদ্রাসার বিভিন্ন শ্রেণীতে সাত শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। একটি দোতলা ও একটি একতলা একাডেমিক ভবন রয়েছে।একাডেমিক ভবন সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিগ্ন সৃষ্টি হচ্ছে বলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ জানান। সরজমিনে গেলে দেখা যায় একতলা ভবনের উপরে টিনশেড একটি কক্ষ নির্মাণ করে একটি শ্রেণীর পাঠদান করা হয়। গরম ও বৃষ্টির সময় খোলামেলা এই কক্ষটিতে পাঠদানে শিক্ষার্থীদের ভীষণ অসুবিধায় পড়তে হয়। তাছাড়া নীচে পরিত্যক্ত একটি টিনসেড ঘরের জরাজীর্ণ কক্ষে এবতেদায়ী শ্রেণির পাঠদান করা হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, আমাদের মাদ্রাসায় শ্রেণীকক্ষের সংকট রয়েছে। গরমে দোতলার উপর নির্মিত টিনশেড ঘরে ক্লাশ করতে অসুবিধা হয়।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো: মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমাদের দাখিল ও আলিম শ্রেণীত বিগত বছরগুলোতে সন্তোষজনক ফলাফল করেছে।
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে অতিরিক্ত ক্লাস নেয়া হয়। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম রয়েছে। দূরের ও নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য ওই এলাকার কৃতি সন্তান মীর মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনএকটি আধুনিক আবাসিক হোস্টেল নির্মান করে দিয়েছেন। একজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে আবাসিক হোস্টেলে শিক্ষার্থীদের থাকা ও লেখাপড়ার সুব্যবস্থায় রয়েছে।
একটি ভবন বা ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের ব্যবস্থা করলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সমস্যা লাগব হবে।
অভিভাবক আ: হক জানান দ্বীনি এই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার মান খুবই ভালো। তবে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য আরেকটি একাডেমিক ভবন হলে পাঠদানের সংকট দূর হবে । প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সফিকুল ইসলাম স্বপন বলেন একাডেমিক ভবনের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রী ড.এহছানুল হক মিলন মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। আশা করি খুব সহসায় একাডেমিক ভবনের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত পাবো।
শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন একাডেমিক ভবন বরাদ্দের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ড.আ ন ম এহাছানুল হক মিলনের দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
Leave a Reply